ঈদের নামাজ, তাকবীর, সুন্নত আমল, ফিতরা, কুরবানি, দু'আ এবং উদযাপনের ঐতিহ্য — সব এক জায়গায়।
রমজানের সমাপ্তিতে ১লা শাওয়ালে পালিত ঈদ — এক মাস সিয়াম সাধনার পুরস্কার।
১০ই জিলহজে পালিত কুরবানির ঈদ — ইবরাহিম (আ.) এর মহান ত্যাগের স্মরণে।
ঈদের রাত থেকে ঈদের নামাজ পর্যন্ত (ঈদুল ফিতর) এবং ৯-১৩ জিলহজ (ঈদুল আযহা) তাকবীর পাঠ করুন।
اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ
لَا إِلَٰهَ إِلَّا اللَّهُ
وَاللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ
وَلِلَّهِ الْحَمْدُ
আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, ওয়াল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, ওয়ালিল্লাহিল হামদ
আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ, আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ। আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ, আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ। সকল প্রশংসা আল্লাহর।
ঈদের নামাজ দুই রাকাত, অতিরিক্ত তাকবীর সহ। হানাফি পদ্ধতি (৬+৫) নিচে দেওয়া হলো; শাফেয়ি পদ্ধতিতে ৭+৫।
ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আযহার দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজের নিয়ত করুন, ইমামের পেছনে।
ইমামের সাথে 'আল্লাহু আকবার' বলে হাত বেঁধে নামাজ শুরু করুন। সানা পড়ুন।
হানাফি: ৩টি অতিরিক্ত তাকবীর (প্রতিবার হাত কান পর্যন্ত তুলে ছেড়ে দিন, শেষটায় বাঁধুন)। শাফেয়ি: ৭টি অতিরিক্ত তাকবীর।
ইমাম সূরা ফাতিহা পড়বেন, তারপর অন্য একটি সূরা। সুন্নত হলো সূরা আ'লা বা সূরা ক্বাফ পড়া।
স্বাভাবিকভাবে রুকু, সেজদা করে প্রথম রাকাত সম্পন্ন করুন এবং দ্বিতীয় রাকাতের জন্য দাঁড়ান।
সূরা ফাতিহা ও অন্য সূরার পর: হানাফি: ৩টি অতিরিক্ত তাকবীর, তারপর তাকবীর দিয়ে রুকু। শাফেয়ি: ৫টি অতিরিক্ত তাকবীর।
রুকু, সেজদা, তাশাহহুদ, দুরুদ ও দু'আ পড়ে সালাম ফিরিয়ে নামাজ শেষ করুন।
ঈদের খুতবা নামাজের পরে হয় (জুমু'আর বিপরীত)। খুতবা শোনা সুন্নত। ইমাম ঈদের বিধান, তাকওয়া ও ঐক্যের কথা বলবেন।
রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সুন্নত অনুসারে ঈদের দিনের আমলসমূহ।
ঈদুল ফিতরের আগে প্রতিটি মুসলিমের জন্য ওয়াজিব সদকা।
ঈদের দিনে পাঠযোগ্য গুরুত্বপূর্ণ দু'আসমূহ।
تَقَبَّلَ اللَّهُ مِنَّا وَمِنْكُمْ
তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম
Taqabbalallahu minna wa minkum
আল্লাহ আমাদের ও আপনাদের (আমল) কবুল করুন
মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ঈদের ঐতিহ্যবাহী উদযাপন।